নীলা তার স্কেচবুক আর পেন্সিল নিয়ে পুরনো ঢাকার শাঁখারিবাজারের গলিতে হাঁটছিল। সকালের মিষ্টি রোদ ইটের দেয়ালে এক অদ্ভুত আভা দিচ্ছিল। সে সাধারণত সকাল দশটা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত এই সব পুরনো দালানগুলির রূপ ক্যামেরাবন্দী করত বা স্কেচ করত। সে একজন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার। তার কাজের মাঝে এই শিল্পকর্ম তার প্যাশন। আজ তার চোখ আটকে গেল একটি জরাজীর্ণ but majestic हवेली তে। হলুদ রঙের দেয়ালগুলি, কাঠের কারুকাজ করা বারান্দা – যেন এক নীরব সাক্ষী কালের যাত্রার। নীলা একটি ছোট চায়ের দোকানের পাশে বসে স্কেচ করতে শুরু করল। তার মন architectural details এ মগ্ন ছিল।

Suddenly, একটি উষ্ণ কণ্ঠস্বর তার পাশে ভেসে এলো। আপা, এই বাড়ির ইতিহাস জানেন?

নীলা চমকে তাকালো। একটি handsome ছেলে তার পাশে দাঁড়িয়ে। সম্ভবত তার বয়স ত্রিশের কোঠায়। তার পরনে ছিল একটি হালকা নীল শার্ট আর জিন্স। মুখে হাসি। ছেলেটির চোখে একটা কৌতুহল ছিল, যেন সে অনেক কিছু জানে কিন্তু বলতে চায় না।

নীলা একটু হেসে বললো, না। শুধু জানি এটি অনেক পুরনো।

ছেলেটি হাসলো। তার হাসিতে একটা charm ছিল। আমি রায়হান। আমি পুরনো ঢাকার ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করি। এই বাড়িটা, জানেন, একসময় একটি প্রভাবশালী পরিবারের ছিল। তাদের অনেক secrets ছিল।

নীলা আগ্রহী হলো। সে সাধারণত অচেনা ছেলেদের সাথে এত কথা বলে না। কিন্তু রায়হানের বলার ভঙ্গিটা এমন ছিল, যেন সে কোনো গল্প বলছে।

সে বললো, দারুণ তো। আপনি কি করেন?

রায়হান বললো, আমি একজন History enthusiast and sometimes a freelance consultant for heritage projects. আপনার স্কেচ খুব সুন্দর হচ্ছে। আপনি কি একজন artist?

নীলা বললো, আমি গ্রাফিক ডিজাইনার। স্কেচ আমার শখ।

তারা আরও কিছুক্ষণ কথা বললো। রায়হান তাকে আরও কয়েকটি পুরনো বাড়ির গল্প বললো, যা নীলা আগে শোনেনি। তার কণ্ঠস্বরে এমন একটা enthusiasm ছিল, যা নীলাকে মুগ্ধ করল। তাদের কথার মাঝে একটা natural flow চলে এলো।

রায়হান প্রস্তাব দিল, এখানে একটি খুব সুন্দর ক্যাফে আছে, পুরনো দিনের মতো সাজানো। Shall we have coffee?

নীলা একটু hesitation নিয়ে বললো, ঠিক আছে।

তারা হাঁটতে হাঁটতে একটি narrow alley দিয়ে একটি ছোট, cozy ক্যাফেতে পৌঁছালো। ক্যাফেটির নাম ছিল কালের কফি। ভিতরের সাজসজ্জা truly mesmerizing। পুরনো দিনের রেডিও, কাঠের ফার্নিচার, আর দেয়াল জুড়ে পুরনো ঢাকার ছবি।

তারা কফি অর্ডার দিল। রায়হান বললো, এই জায়গাটা আমার প্রিয়। এখানকার atmosphere gives you a sense of belonging to the past.

নীলার মনে হলো, এই ছেলেটা সত্যি অন্যরকম। সাধারণ মানুষের চেয়ে তার interest গুলো অনেক গভীর। তাদের কথোপকথন আরও গভীরে গেল। তারা Dhaka’s heritage, art, culture and even some philosophical thoughts নিয়ে কথা বললো। সময় কিভাবে চলে গেল, নীলা বুঝতে পারলো না।

কয়েক দিন পর। নীলা আর রায়হানের মধ্যে একটি সুন্দর friendship গড়ে উঠলো। তারা প্রায়ই পুরনো ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় rendezvous করত। কখনো এক কাপ চা এর জন্য, কখনো বা কোনো পুরনো গলি explore করার জন্য। রায়হান নীলার মধ্যে নতুন এক জগৎ উন্মোচন করছিল। সে শুধু পুরনো ইতিহাস জানাতো না, সে যেন ইতিহাসকে অনুভব করতে শেখাতো। নীলার জীবনে রায়হান একটি refreshing chapter ছিল।

একদিন তারা একটা abandoned market এর ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়েছিল। রায়হান হঠাৎ serious হয়ে গেল। সে বললো, জানো নীলা, এই শহরটা শুধু ইট পাথরের নয়। এর নিজের একটা heartbeat আছে। আর সেই heartbeats গুলোকে কিছু মানুষ protect করে। কিছু knowledge আছে, কিছু artifacts আছে, যা সাধারণ মানুষের চোখে পড়ে না। But they are real.

নীলা হাসলো। তুমি কি কোনো secret society এর কথা বলছো? Dan Brown এর নভেলের মতো?

রায়হান হাসলো না। তার মুখে একটা গম্ভীর expression ছিল। সে বললো, maybe. Or maybe something more complex. Some things are better left unsaid.

তার কথাগুলো নীলার কানে বাজছিল। কেমন একটা eerie feeling হচ্ছিল। তবে সে এটাকে রায়হানের intellectual fantasy ভেবে dismiss করলো।

একদিন নীলা রায়হানের সাথে বই কেনার জন্য নিউমার্কেটে গিয়েছিল। হঠাৎ রায়হানের ফোন বাজলো। সে ফোনটা ধরলো, আর তার মুখটা instant গম্ভীর হয়ে গেল। সে দ্রুত কিছু কথা বললো English এ, কিন্তু নীলা তার কথা clearly শুনতে পেল না। Just some muffled words. এরপর সে নীলার দিকে তাকিয়ে বললো, I am so sorry Neela. I have to go now. It’s an urgent matter.

সে দ্রুত চলে গেল। নীলা অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। এটা প্রথমবার ছিল না। প্রায়শই রায়হান এমনভাবে হঠাৎ করে গায়েব হয়ে যেত, যেন সে হাওয়ায় মিশে গেছে। তার এই sudden disappearances গুলো নীলাকে একটু অবাক করছিল।

পরের দিন যখন তাদের আবার দেখা হলো, রায়হান তখন স্বাভাবিক। যেন কিছুই হয়নি। নীলা তাকে জিজ্ঞেস করলো, Yesterday you left so suddenly. What was the emergency?

রায়হান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো। Just some business related issues. Nothing exciting. You know, client pressure. He smiled, but Neela felt his smile did not reach his eyes fully. There was a faint shadow in them.

একদিন নীলা একটি আর্ট এক্সিবিশনে গিয়েছিল। ফেরার পথে পুরনো ঢাকার একটি narrow street দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ সে দেখতে পেল রায়হানকে। সে একটি পুরনো dilapidated building এর সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। তার সাথে একজন অচেনা লোক ছিল। লোকটির পরনে ছিল একটি ময়লা পাঞ্জাবি, মুখে একটা rough look। তারা খুব দ্রুত কথা বলছিল। তাদের শরীরী ভাষা দেখে মনে হচ্ছিল তারা ভীষণ upset। রায়হানের মুখে ছিল স্পষ্ট anxiety। কিছুক্ষণ পর, লোকটি রায়হানের দিকে হাত তুলে কিছু বললো, যেন হুমকি দিচ্ছে। তারপর সে দ্রুত সেখান থেকে চলে গেল। রায়হান কিছুক্ষণ সেখানে স্থির দাঁড়িয়ে রইলো, তার মুখ ফ্যাকাসে।

নীলা একটা পিলারের আড়াল থেকে সব দেখছিল। তার মনে একটা disturbing feeling হলো। রায়হান তাকে বলেছিল সে একজন heritage consultant। কিন্তু এই ধরণের লোকের সাথে তার কি কাজ? নীলা মনে মনে ভাবছিল, তার romantic interest এর মধ্যে কি কোনো darker side আছে? সে রায়হানকে ডাকতে পারল না। ভয় পাচ্ছিল। এই মুহূর্তটা তাদের সম্পর্কের মধ্যে একটা অদৃশ্য দেয়াল তুলে দিল। Neela felt a chill run down her spine.

নীলার মনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল: রায়হান আসলে কে? সে কি সত্যিই শুধু একজন ইতিহাস গবেষক? সেই রাতের দৃশ্য তার ঘুম হারাম করে দিয়েছিল। সে রায়হানকে সরাসরি কিছু জিজ্ঞেস করতে পারছিল না। কেমন একটা apprehension কাজ করছিল। তাদের সুন্দর সম্পর্কটা হঠাৎ করে যেন একটা thick fog এ ঢেকে গেছে।

একদিন রায়হান তাকে কিছু পুরনো বই ধার দিয়েছিল। সে বলেছিল, These are some rare finds. You might find them interesting for your design inspirations. বইগুলোর মলাট ছিল পুরনো চামড়ার, পাতাগুলো হলুদ হয়ে গিয়েছিল। নীলা বইগুলো উল্টে দেখছিল। একটি বই, যার নাম ছিল ঢাকার গুপ্ত পথ ও কিংবদন্তী, তার মনযোগ আকর্ষণ করলো। বইটি খুলতেই ভেতরের একটি পাতা আলগা হয়ে বেরিয়ে এলো। সে পাতাটি সরাতে গিয়ে দেখলো, বইয়ের মলাটের নিচে একটা secret compartment। তার heart rate sudden বেড়ে গেল।

সে কাঁপতে কাঁপতে ছোট্ট compartment টি খুললো। ভিতরে একটা ছোট, ভাঁজ করা কাগজ ছিল। কাগজটা খুলতেই নীলা দেখতে পেল একটি strange symbol। এটি একটি complex geometric design ছিল, যার মাঝে কিছু ancient-looking script লেখা। Symbol টা দেখে তার মনে একটা অজানা ভয় আর উত্তেজনা একসাথে কাজ করছিল। এই symbol টা যেন তার দেখা অনেক কিছুকে connect করছিল। রায়হান একবার পুরনো artifacts নিয়ে কথা বলেছিল। এই symbol টা কি তারই অংশ?

সে দ্রুত রায়হানকে ফোন করলো। সে রিসিভ করলো না। সে মেসেজ পাঠালো, কিন্তু কোনো উত্তর এলো না। নীলা অস্থির হয়ে উঠলো। সে বুঝতে পারছিল, সে এমন কিছুর সন্ধান পেয়েছে, যা হয়তো তার জানা উচিত ছিল না।

পরের কয়েকটা দিন রায়হানের কোনো খোঁজ ছিল না। তার ফোন switch off। তার apartment এও সে নেই। নীলার ভয় বাড়ছিল। সেই shady লোকটার সাথে রায়হানের শেষ দেখা হওয়ার দৃশ্যটা তার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল বারবার। সে কি বিপদে পড়েছে? নাকি সে নিজেই কোনো dangerous খেলার অংশ?

নীলা সিদ্ধান্ত নিল, সে নিজেই খুঁজে বের করবে কি হয়েছে। সে সেই পুরনো dilapidated building এর দিকে রওনা দিল, যেখানে সে রায়হানকে শেষবার দেখেছিল সেই লোকটার সাথে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছিল। পুরনো ঢাকার গলিগুলো নীরব হয়ে গেছে। street lights flickering। buildings এর long shadows গুলো যেন আরও eerie দেখাচ্ছিল।

সেই building এর সামনে পৌঁছে নীলা দেখলো, gate টা খোলা। ভিতরে ঢোকার সাহস পাচ্ছিল না। কিন্তু রায়হানের জন্য তার চিন্তা তাকে ভিতরে টানছিল। সে ধীর পায়ে ভিতরে ঢুকলো। বিশাল পুরনো বাড়িটার hallway গুলো ধুলায় ঢাকা। ভাঙা কাঁচ আর পলেস্তারা floor এ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

সে রায়হানের নাম ধরে ফিসফিস করে ডাকলো, রায়হান?

কোনো উত্তর নেই। শুধু বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ।

সে সাবধানে upstairs এ উঠলো। একটি দরজা সামান্য খোলা। সে উঁকি দিল। ঘরের ভিতরে আসবাবপত্র নেই। শুধু দেয়ালের এক কোণে কিছু graffiti ছিল। নীলা closer গেল। সেই graffiti এর মাঝে সে চিনতে পারলো সেই identical symbol টা! যে symbol সে বইয়ের secret compartment এ পেয়েছিল। Symbol টা যেন একটু different ভাবে etch করা ছিল। তার পাশে কিছু numeric codes লেখা। এটা শুধু একটা symbol ছিল না, এটা ছিল একটা clue।

হঠাৎ সে শুনতে পেল footsteps! Someone was coming upstairs. নীলার বুক ধড়ফড় করতে লাগলো। সে দ্রুত একটি ভাঙা আলমারির পিছনে লুকিয়ে পড়লো। পায়ের শব্দ গুলো আরও কাছে আসছিল। সে বুঝতে পারছিল, সে একা নয়। Someone else was here.

তার মোবাইল ফোনটা vibrate করলো। একটি unknown number থেকে মেসেজ এসেছে। সে কাঁপতে কাঁপতে মেসেজটা খুললো।

মেসেজটা ছিল simple, কিন্তু chilling: Forget him. Stop looking. This is your only warning.

নীলার হাত থেকে ফোনটা পড়ে যাচ্ছিল প্রায়। সে বুঝতে পারলো, সে এখন একটা deadly game এর মাঝখানে। রায়হান শুধু গায়েব হয়নি, তাকে গায়েব করে দেওয়া হয়েছে। আর সে নিজেও এখন danger এ আছে। এই রহস্যময় symbol, এই হুমকি, রায়হানের sudden disappearance – সবকিছু মিলে একটা complex web তৈরি হয়েছে। সে হয়তো রায়হানকে ভালোবাসতে শুরু করেছিল, কিন্তু এখন তার জীবনের romantic chapter টা একটা thrilling, terrifying journey তে পরিণত হয়েছে। সে জানে না এই পথের শেষ কোথায়, কিন্তু সে আর থেমে থাকতে পারবে না। তাকে খুঁজে বের করতেই হবে, এই symbol এর মানে কি, আর রায়হান কোথায়। Her life would never be the same again.